শামসুল ইসলাম লিটন-
চার দিনেও শেষ হয়নি ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দূর্ভোগ, দূর্ভোগের এ চিত্র যেন চরম আকার ধারন করেছে।
ঘন্টার পর ঘন্টা যানবাহন দাড়িয়ে থাকতে হচ্ছে একই জায়গায়,
গত মঙ্গলবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শাহবাজপুর সেতুর চতুর্থ স্প্যানের ফুটপাতসহ রেলিং ভেঙে পড়ায় এ সেতুর ওপর দিয়ে সব ধরনের ভারী ও মাঝারি যানবাহন চলাচল বন্ধের নির্দেশ দিয়ে এ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করে (সওজ) ।
বিকল্প সড়ক হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর-সরাইল ও হবিগঞ্জের লাখাই-হবিগঞ্জ-শায়েস্তাগঞ্জ আঞ্চলিক সড়ক ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।
বিকল্প রাস্তা হিসেবে চান্দুরা- আখাউড়া সড়কটিও ব্যবহার করা হচ্ছে।
এতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কসহ আঞ্চলিক রাস্তাগুলোকে নেমে এসেছে চরম বিপর্যয়, তীব্র যানজটের কারনে ৯-১০ ঘন্টা একই জায়গায় দাড়িয়ে থাকতে হচ্ছে যানবাহন।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ১৯৬৩ সালে শাহবাজপুরে তিতাস নদের ওপর নির্মিত হয় ২০৩ মিটার দীর্ঘ এ সেতু। একপর্যায়ে সেতুটি দুর্বল হয়ে পড়লে এর ওপর দুটি বেইলি সেতু নির্মাণ করে সওজ।
স্থানীয়রা জানান, রেলিং ধসে পড়ার আগেই সেতুতে ফাটল তৈরি হয়েছিল। এর ফলে যানবাহন উঠলেই সেতুটি কাঁপত। কয়েক বছর ধরেই সেতুটির এমন অবস্থা।
কিন্তু বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় এ সেতুর ওপর দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে চলছল করছিল যানবাহন। ঢাকাসহ সারা দেশের সঙ্গে সিলেট বিভাগের সরাসরি সড়ক যোগাযোগের এটিই একমাত্র পথ।
সওজ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে শাহবাজপুর সেতুর চতুর্থ স্প্যানের ফুটপাতসহ রেলিং ভেঙে পড়ে। পরে সওজ এ সেতুর ওপর দিয়ে যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারির সিদ্ধান্ত নেয়। কর্তৃপক্ষ বলছে, সেতুটি যান চলাচলের উপযোগী করতে তিন থেকে ১০ দিন লাগবে।
বিকল্প রাস্তা হিসেবে চান্দুরা- আখাউড়া সড়কটিও ব্যবহার করা হচ্ছে।
এতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কসহ আঞ্চলিক রাস্তাগুলোকে নেমে এসেছে চরম বিপর্যয়, তীব্র যানজটের কারনে ৯-১০ ঘন্টা একই জায়গায় দাড়িয়ে থাকতে হচ্ছে যানবাহন।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ১৯৬৩ সালে শাহবাজপুরে তিতাস নদের ওপর নির্মিত হয় ২০৩ মিটার দীর্ঘ এ সেতু। একপর্যায়ে সেতুটি দুর্বল হয়ে পড়লে এর ওপর দুটি বেইলি সেতু নির্মাণ করে সওজ।
স্থানীয়রা জানান, রেলিং ধসে পড়ার আগেই সেতুতে ফাটল তৈরি হয়েছিল। এর ফলে যানবাহন উঠলেই সেতুটি কাঁপত। কয়েক বছর ধরেই সেতুটির এমন অবস্থা।
কিন্তু বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় এ সেতুর ওপর দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে চলছল করছিল যানবাহন। ঢাকাসহ সারা দেশের সঙ্গে সিলেট বিভাগের সরাসরি সড়ক যোগাযোগের এটিই একমাত্র পথ।
সওজ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে শাহবাজপুর সেতুর চতুর্থ স্প্যানের ফুটপাতসহ রেলিং ভেঙে পড়ে। পরে সওজ এ সেতুর ওপর দিয়ে যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারির সিদ্ধান্ত নেয়। কর্তৃপক্ষ বলছে, সেতুটি যান চলাচলের উপযোগী করতে তিন থেকে ১০ দিন লাগবে।
সরেজমিনে দেখা যায়, অন্তত ৮-১০ জায়গায় সেতুর দুই পাশের রেলিং ভেঙে গেছে। একাধিক জায়গায় ফাটল দেখা গিয়েছে। ফাটল ও ভাঙা অংশে দেওয়া হয়েছে জোড়াতালি। একটি রেলিং হেলে পড়েছে। সেতুর মাঝখানের নিচের দিকে দুটি গ্রাডারেও ফাটল দেখা দিয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী শামীম আল মামুন জানান, চতুর্থ স্প্যানের ফুটপাতসহ রেলিং ভেঙে পড়ায় এক পাশ দিয়ে গাড়ি চালানো যাবে। কিন্তু সেতুর অবস্থা ভালো না। যে কোনো মুহূর্তে বড় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। তাই এই সেতু দিয়ে সব ধরনের ভারী ও মাঝারি যান চলাচল বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আপাতত ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহনগুলোকে বিকল্প সড়ক হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল-নাসিরনগর ও হবিগঞ্জের লাখাই-হবিগঞ্জ-শায়েস্তাগঞ্জ সড়ক ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সেতুটি যান চলাচলের উপযোগী করতে তিন থেকে ১০ দিন সময় লাগবে।
এদিকে তীব্র যানজট ও গড়মের তীব্রতায় চড়ম দূর্ভোগে পড়েছে যাত্রীরা, কাছাকাছি ব্যবস্থা না থাকায় খাদ্য ও খাবার পানির অভাব দেখা দিয়েছে অনেক জায়গায়।
পাশাপাশি কিছু সেচ্ছাসেবী সংগঠনকে দেখা গেছে খাবার ও পানি বিরতণ করতে।
দ্রুত এই সমস্যা থেকে পরিত্রান চান ভূক্তভোগিরা।
তিনি আরও জানান, সেতুটি যান চলাচলের উপযোগী করতে তিন থেকে ১০ দিন সময় লাগবে।
এদিকে তীব্র যানজট ও গড়মের তীব্রতায় চড়ম দূর্ভোগে পড়েছে যাত্রীরা, কাছাকাছি ব্যবস্থা না থাকায় খাদ্য ও খাবার পানির অভাব দেখা দিয়েছে অনেক জায়গায়।
পাশাপাশি কিছু সেচ্ছাসেবী সংগঠনকে দেখা গেছে খাবার ও পানি বিরতণ করতে।
দ্রুত এই সমস্যা থেকে পরিত্রান চান ভূক্তভোগিরা।

0 মন্তব্যসমূহ