ক্ষতিগ্রস্ত সেতু দিয়েই শুরু হচ্ছে যান চলাচল



ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ক্ষতিগ্রস্ত শাহবাজপুর সেতু দিয়েই ফের বাস চলাচল করবে বলে জানিয়েছেন সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শামীম আল মামুন। আগামী ২৫ জুন মঙ্গলবার থেকে এ কার্যক্রম চালু হবে বলে তিনিএ তথ্য জানিয়েছেন।

এছাড়াও বিকল্প হিসেবে ভারী যানবাহন পারাপারের জন্য নারায়ণগঞ্জ থেকে একটি ফেরি আনা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

গত ১৮ জুন বিকেলে শাহবাজপুরের তিতাস নদীর ওপর ক্ষতিগ্রস্ত সেতুর চতুর্থ স্প্যানের ফুটপাতসহ রেলিং ভেঙে পড়ে। এর ফলে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের এই সেতু দিয়ে সবধরনের ভারী ও মাঝারি যান চলাচল বন্ধের নির্দেশনা দেয় সওজ বিভাগ।

যানবাহনগুলোকে বিকল্প সড়ক হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল-নাসিরনগর ও হবিগঞ্জের লাখাই-হবিগঞ্জ-শায়েস্তাগঞ্জ সড়ক ব্যবহার করার জন্য বলা হয়। তবে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে বিকল্প সড়কগুলোতে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। এতে করে দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।

এছাড়াও বিকল্প রাস্তা হিসেবে চান্দুরা-আখাউড়া সড়ক ব্যবহার করছে  যানবাহনগুলো, আঞ্চলিক রাস্তাগুলো সরু হওয়ায় ৮-৯ ঘন্টা একই জায়গায় দাড়িয়ে থাকতে হচ্ছে যানবাহনগুলোকে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সওজ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শামীম আল মামুন জানান, যাত্রীদের দুর্ভোগ লাঘবে বেইলি সেতু স্থাপন কাজ শেষে বাস চালাচল করার জন্য খুলে দেয়া হবে। তবে যাত্রীদের নামিয়ে বাসগুলোকে সেতু পারাপার হতে হবে। আর বেইলি সেতুতে কোনো সমস্যা দেখা দিলে বিকল্প হিসেবে ফেরি রাখা হবে। ছয়-সাতদিনের মধ্যে ফেরি চলে আসবে।

প্রসঙ্গত, সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর এলাকায় তিতাস নদীর ওপর নির্মিত সেতুর মাঝখানে বেইলি সেতু বসিয়ে এবং মাঝে মাঝে মেরামত করে কোনো রকমে যান চলাচল স্বভাবিক রাখা হয়েছিল। সওজ বিভাগ সেতুটিকে ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করে ১৫ টনের অধিক ওজনের যানবাহন চলাচল নিষেধ করে। তবে সেই নির্দেশনা না মেনে প্রতিনিয়ত ১৫ টনের অধিক যানবাহন সেতু পারাপার হয়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ