দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ হলেন সাকিব


ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়েও তা আইসিসিকে না জানানোয় আইসিসি কর্তৃক দুই বছর নিষিদ্ধ হয়েছেন বাংলাদেশের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তবে, দোষ স্বীকার করার কারণে, তার বক্তব্যে সন্তুষ্ট হয়ে ১ বছরের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করেছে আইসিসি। আইসিসির পক্ষ থেকেই এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আগামী বছরের ২৯ অক্টোবরের পর থেকে তিনি সব ধরনের ক্রিকেট খেলতে পারবেন।
আইসিসির এই শাস্তি মেনে নিয়ে বাংলাদেশ টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান আইসিসিকে জানান, ক্রিকেট না খেলতে পারাটা দুঃখজনক। তবে আমার ওপর যে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে আমি তা মেনে নিচ্ছি। আমি ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব পাওয়ার বিষয়টি আকসুকে জানাইনি। নিজের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করিনি। পৃথিবীর অন্যান্য খেলোয়াড়দের মতো আমিও দুর্নীতিমুক্ত ক্রিকেট চাই। আশা করি আমার মতো ভুল ভবিষ্যতে আর কেউ করবে না।
আইসিসির জেনারেল ম্যানেজার আলেক্স মার্শাল বলেন, সাকিব তার ভুল স্বীকার করেছে। তরুণরা যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজে জড়িয়ে না পড়ে সে এ নিয়ে কাজ করবে বলে জানিয়েছে। তার এই প্রস্তাব পেয়ে আমর আনন্দিত।
আইসিসির কোড অফ কন্ডাক্টে বলা আছে, বাজিকরদের কাছ থেকে ম্যাচ বা স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে জানাতে হবে। না হয় আইসিসির দুর্নীতি দমন সংস্থা- আকসুকে অবহিত করতে হবে। সে খবর নিজে লুকিয়ে রাখলে সেটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে গণ্য হবে।
আইসিসির বিজ্ঞপ্তিতে দেখা গেছে তিনবারের মধ্যে দুইবারই তিনি ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব পেয়েছেন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ আইপিএল-এ। প্রথম অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা জিম্বাবুয়ে ট্রাই নেশন সিরিজ বা ২০১৮ সালে আইপিএল-এ ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব পেয়েও তা প্রত্যাখ্যান করেন সাকিব। তবে তা গোপন করেন তিনি।
বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা জিম্বাবুয়ে ট্রাই নেশন সিরিজে আবার ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব পেয়ে তা গোপন করেন।
তৃতীয়বার ২০১৮ সালের আইপিএল-এ। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ বনাম পাঞ্জাব ম্যাচে পাতানোর প্রস্তাব পান তিনি। সেটিও গোপন করে যান সাকিব।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ