কসবায় রেল দূর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে-১৫, আহত শতাধিক


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেল দূর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাড়ালো ১৫জনে।
ঢাকা-চট্রগ্রাম ও চট্রগ্রাম-সিলেট রেলপথে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার মন্দভাগে চট্রগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেস ও ঢাকাগামী তুর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ পর্যন্ত ৯জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুল আলম।

এদিকে জেলা সদর হাসপাতালে মারা যায় দুইজন। এছাড়া জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসার পর সোহা (৩) নামের এক শিশু ও অজ্ঞাত এক যুবক মারা যায়। এছাড়া কসবা হাসপাতালে ২জন ও কুমিল্লায় নিয়ে যাওয়ার পর একজন মারা যায়।

মঙ্গলবার ভোর ৩টার দিকে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম ও সিলেটের রেলযোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

আখাউড়া রেলওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল কান্তি দাস দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মন্দভাগ রেলওয়ে স্টেশনে সিলেট থেকে ছেড়ে আসা আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ও ঢাকাগামী আন্তঃনগর তুর্না নীশিতা এক্সপ্রেস ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। দুইটি ট্রেনের কয়েকটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে।

জানা গেছে, ৭২৪ উদয়ন এক্সপ্রেস-২৯৩৪ মন্দভাগ লুপ লাইনে প্রবেশকালে ঢাকা অভিমুখী ৭৪১ তুর্ণা এক্সপ্রেস-২৯২৩ বিপরীত দিক থেকে এসে সংঘর্ষ ঘটায়।

উদয়নের অন্তত ৭টি কোচ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। লাকসাম থেকে রিলিফ ট্রেন রওয়ানা করেছে বলে রেলওয়ে ফ্যানদের ফেসুবক পেজে জানানো হয়েছে।

যাত্রীদের সূত্রে জানা গেছে, সিলেট থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী উদয়ন মন্দবাগ লুপ লাইনে প্রবেশ করছিলো। এ সময় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী তুর্ণা এক্সপ্রেস উদয়নের শেষের ৩কোচকে ধাক্কা মারে। দুর্ঘটনার পর পরই আশপাশের গ্রাম থেকে মানুষজন ছুটে আসে। ঘটনাস্থলে দমকল বাহিনীর সদস্যরা সহ রেলওয়ে ও থানা পুলিশ কাজ করছে।

এই ঘটনায় হতাহতে সংখ্যা বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যেকোনো তথ্য জানতে খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ