এই সময়ে ওপার বাংলার ব্যস্ততম নায়িকাদের মধ্যে অন্যতম ঋত্বিকা সেন। শিশু শিল্পী হিসেবে ২০১২ সালে ‘হান্ড্রেড পার্সেন্ট লাভ’ ছবির মাধ্যমে রুপালি পর্দায় তার আগমন। ছবিটিতে জিৎ ও কোয়েলের সঙ্গে অভিনয় করে বেশ প্রশংসিত হন। এরপরই দুই বছর বিরতি দিয়ে ২০১৪ সালে ‘বরবাদ’ ছবিতে মূল নায়িকা হিসেবে অভিষেক ঘটে ঋত্বিকার। বনি সেনগুপ্তের সঙ্গে জুটি বেঁধে প্রথম ছবিতেই বাজিমাত করেন এই নায়িকা। রীতিমত আলোচনায় চলে আসেন। পরের বছরেই দেবের বিপরীতে ‘আরশীনগর’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে আবারও আলোচনায় চলে আসেন
হান্ড্রেড পার্সেন্ট লাভ, চ্যালেঞ্জ ২, বরবাদ, আরশীনগর, রাজা রাণী রাজী, জিও পাগলা, ভিলেন, বাঘ বন্দি খেলা, শাহজাহান রিজেন্সি, ভুতচক্র প্রাঃ লিঃ ছবির পর এই নায়িকা পাড়ি জমিয়েছেন চেন্নাইতে। কলকাতার বাইরে প্রথমবার কাজ করেছেন তামিল ছবিতে।
ঋত্বিকা সেন বলেন সাউথ ইন্ডিয়াতে এটাই আমার প্রথম সিনেমা। ছবির নাম দাগালতি, এটি পরিচালনা করেছেন বিজয় আনন্দ। এর আগে অনেকবারই সেখানকার ছবিতে কাজ করার প্রস্তাব পেয়েছি কিন্তু করা হয়নি। অবশেষে এই ছবিটাতে কাজ করেছি। কাজ করতে গিয়ে অনেক কিছুই শিখেছি। সেখানকার মানুষজন বেশ আন্তরিক এবং সহযোগীতা পরায়ণ। কাজের ক্ষেত্রে সবাই সবাইকে ভীষণ রকমের হেল্প করে। টিমের সবাই থেকে শুরু করে পরিচালক কিংবা সহশিল্পী সবার কাছে হেল্প পেয়েছি। খুব দারুণ ও মজার অভিজ্ঞতা।
একটা অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চাই, সেটা হলো, এই ছবিতে আমার যে ‘এন্ট্রি’ বা ‘ইন্ট্রোডিউসিং পার্ট’ এটা অনেক সময় নিয়ে করা হয়েছে। কারণ এই ছবির গল্পটাই এগিয়েছে আমার চরিত্রকে কেন্দ্র করে। ছবিতে আমার চরিত্রের নাম মাল্লি। আমার চরিত্রের উপর বেইজ করেই ছবির অন্যান্য চরিত্রগুলো তৈরি হয়েছে।
এখন পর্যন্ত আমার ক্যারিয়ারে কোন ছবিতে ‘ইন্ট্রোডিউসিং পার্ট’ এতটা দারুণ হয় নি। কলকাতার ছবিগুলোতেও ওরকমভাবে প্রেজেন্ট করা হয় নি আমাকে। কিন্তু এই ছবিতে আমার স্টার্টিংটাই হবে খুবই দুর্দান্তভাবে। এটার জন্য আলাদা করে অনেকটা সময় দিয়েছে পরিচালক। এটা আমার জন্য দারুণ পাওয়া।

0 মন্তব্যসমূহ