ভারতে বর্ণবাদী ও মুসলিমবিদ্বেষী নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন পাশের পর দেশজুড়ে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন রাজ্যে বিক্ষোভের মধ্যে দিল্লিতে জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশ চড়াও হওয়ার পর তা আরও ব্যাপক আকার নিয়েছে, নতুন নতুন শহরে ছড়িয়েছে বিক্ষোভ।
ভারতে বর্ণবাদী ও মুসলিমবিদ্বেষী নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন পাশের পর দেশজুড়ে বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন রাজ্যে বিক্ষোভের মধ্যে দিল্লিতে জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশ চড়াও হওয়ার পর তা আরও ব্যাপক আকার নিয়েছে, নতুন নতুন শহরে ছড়িয়েছে বিক্ষোভ।
অন্যদিকে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের ফলে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এদেশের কোনও নাগরিকের ওপর কোনও প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একই সঙ্গে এদিন কংগ্রেস মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
কংগ্রেসের দিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে মোদি বলেন, আমি কংগ্রেস ও তার সহযোগীদের খোলা চ্যালেঞ্জ করছি। ক্ষমতা থাকে তো ঘোষণা করুন যে আপনারা সমস্ত পাকিস্তানি নাগরিককে ভারতের নাগরিকত্ব দেবেন। একবার একথা বললেই তাদের কড়া মূল্য চোকাতে হবে। একই সঙ্গে মোদির চ্যালেঞ্জ, জম্মু ও কাশ্মীরেও আর কোনওদিন সংবিধানের ৩৭০ ধারা প্রয়োগ করতে পারবে না কংগ্রেস।
তিনি বলেন, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনকে হাতিয়ার করে মুসলিমদের ভয় দেখাচ্ছে বিরোধীরা।
দেশের মুসলিমদের আশ্বস্ত করে মোদি বলেন, মুসলিমদের ভয় দেখাতে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে মিথ্যা প্রচার করছে কংগ্রেস। আমি এই আইন ভারতীয় নাগরিকদের ওপর কোনও প্রভাব ফেলবে না। আবার বলছি, এই আইনে কোনও ভারতীয় নাগরিক কোনও ভাবে প্রভাবিত হবেন না।
নতুন নাগরিকত্ব আইনে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে প্রতিবেশী বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে যেসব অমুসলিম শরণার্থী ভারতে গেছেন; তারা দেশটির নাগরিকত্ব পাবেন। সমালোচকরা বলছেন, এই আইনে মুসলিম শরণার্থীদের ব্যাপারে একই ধরনের বিধান রাখা হয়নি; যা ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতার ভিত্তিকে দুর্বল করে দিয়েছে।

0 মন্তব্যসমূহ