করোনাকালীন সময়ে স্বাস্থ্যবিধি কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ম্যানেজিং কমিটির আয়োজনে প্রায় শতাধিক ব্যক্তির মধ্যাহ্নভোজের পার্টির আয়োজন করলেন বিজয়নগরের চম্পকনগর মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কতৃপক্ষ!
আজ (১৫ই জুলাই) রোজ বুধবার উপজেলার চম্পকনগর মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবনে ম্যানেজিং কমিটির মিটিং এর নামে বিদ্যালয়ের সভাপতি, সদস্য, চম্পকনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিশিষ্টজনরা ও বিদ্যালয়ের শিক্ষক,কর্মকতা, কর্মচারীরা এই মিটিং ও মধ্যাহ্নভোজের আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন।
চম্পকনগর মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ মোস্তুফা কামাল উদ্দিন চৌধুরীর কাছে এমন আয়োজন কিসের, কেন? জানতে চাইলে সে বলেন এই মিটিং স্কুলের সভাপতি নির্দেশে আয়োজন করা হয়েছে।মিটিং উপলক্ষ্যে স্থানীয় কয়েকজন বিশিষ্ট জনকে আপ্যায়ন করেছি।কারন বিদ্যালয়ের মাঠ সংস্কারের জন্য গ্রামের স্থানীয় একটি ফান্ড থেকে কিছু টাকা পাবার জন্য।
করোনাকালীন এই সময়ে এমন আয়োজন কতটুকু সরকারী অনুমোদিত ও স্বাস্থ্যসম্মত জানতে চাইলে সে বলেন আপনার কাছে কিছু বলতে আমি বাধ্য নই।
স্থানীয় বিশিষ্ট শালিশকারক ও শিক্ষানুরাগী মোঃ কাশেম সর্দার জানান, স্কুলের এই আয়োজনে আমাকে দাওয়াত করা হয়েও আমি যায়নি।কারন দেশের এমন পরিস্থিতিতে এই আয়োজন বির্তকিত ও আলোচনার জন্ম দিবে মনে করে।
উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল খালেক বলেন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আমাকে দাওয়াত দিতে চাইলে আমি জানতে চাই এটা কিসের আয়োজন,খরচ কোথায় থেকে আসবে।সে আমাকে জানায় অনেক দিন সবার সাথে দেখা সাক্ষাত হয়না তাই এই প্রোগ্রামের আয়োজন করছি।স্কুলর ফান্ড থেকেই করছি।তখন আমি স্কুলের ফান্ডের টাকা এমন ভাবে খরচ করবে তার প্রতিবাদ আমি করেছি।করোনাকালীন সময়ে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে স্কুলের টাকায় এমন আয়োজনের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।এই বিষয় যথাযথ কতৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছি।
চম্পকনগর নগর মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ শহিদুল হক চৌধুরী বলেন,আগামী ঈদের কোরবানি গরুর বাজারের বিষয় স্কুলে বাজার কমিটি, স্কুলের সবাই ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ আলোচনা করতে বসছিল।তার উপলক্ষ্যে খাবারের আয়োজন করা হয়েছে। বাজার কমিটি স্কুলের মাঠ ব্যবহার করে গরুর বাজার করবে,পরে মাঠ সংস্কার করার জন্য যে টাকা স্কুলকে দেবার কথা সেটা কিছু কম দিতে তারা কিছু আপ্যায়ন করে স্কুল ফান্ডে টাকা কম দিতে এমন করছে।
এছারাও তার বক্তব্য অনেক গড়মিল ও বক্তব্য দিতে গিয়ে নিরব থাকার চেষ্টা করছে।এক পর্যায়ে সে ফোন রেখে দেন।
চম্পকনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ হামিদুর রহমান হামদু বলেন, এই প্রোগ্রামটি বিদ্যালয়ের নতুন ম্যাসেজিং কমিটির করেছে।প্রধান শিক্ষক আমাকে দাওয়াত করায় আমি উপস্থিত হয়েছি।এটার ভাল মন্দ প্রধান শিক্ষককে জিজ্ঞাস করেন সেটা নিয়ম না মেনে এমন করল করেন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকতা মিলন কৃষ্ণ হালদার বলেন, করোনাকালীন এই সময়ে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন কোন আয়োজনের অনুমিত নেই।যদি কেউ করে থাকে আমি খুঁজ খবর নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করব।
0 মন্তব্যসমূহ