বাজারের জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেনেজ ব্যাবস্থায় এগিয়ে এলেন কাজী মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম

 


জিয়াদুল হক বাবু  - সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে  ভোগান্তিতে পড়তে হত ইসলামপুর বাজারে আসা লোকজনদের। পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় এ ভোগান্তিতে পরতে হয়েছিল বাজারে আসা লোকজনদের। ভোগান্তি নিরাসনে নিজস্ব অর্থায়ন নিয়ে এ সময় এগিয়ে আসেন বাজার কমিটির সভাপতি কাজী মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।   সরেজমিনে দেখা যায, উপজেলার  ইসলামপুর  গ্রামে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থাকায় এই গ্রামে শিক্ষার্থী সহ  বিভিন্ন লোকজনের চলাফেরা রয়েছে এবং ঢাকা সিলেট মহাসড়কের পাশে বাজারের অবস্থান হওয়ায় স্থানীয় লোকজন সহ শিক্ষার্থী ও বহিরাগত লোকজন বাজার থেকে প্রয়োজনীয়  কেনাকাটা করে।এই বাজারে পানি নিষ্কাশনের জন্য পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় এবং বাজারের ব্যাবসায়ীরা পরিত্যক্ত আবর্জনা নির্ধারিত স্থানে না ফেলার কারণে সামান্য বৃষ্টি হলেই বাজারে হাটু পানি জমে যায়। এতে বাজারে আগত লোকজন পানির উপর দিয়ে প্রয়োজনীয় কাজ করতে হয়েছে। এই বিষয়টি এফবিসিসিআই এর সাবেক সহ-সভাপতি ও  বাজার কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব কাজী মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামের নজরে আসলে বাজারের ব্যাবসায়ী ও ক্রেতাদের  সুবিধার্থে বাজারের পানি নিষ্কাশনের জন্য নিজেস্ব অর্থায়নে পানি নিষ্কাশনের  জন্য ড্রেনেজ ব্যাবস্থা করছেন এবং লোকজনদের দিয়ে ড্রেন ও বাজার পরিষ্কার  করার ব্যবস্থা করেছেন। ড্রেনেজ ব্যবস্থা, পরিচ্ছন্নতার দায়িত্বে থাকা শাহ আলম মিয়া জানান, বাজার কমিটির সভাপতি কাজী মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ব্যাক্তিগত তহবিল থেকে টাকা দিয়ে ১ সপ্তাহ যাবত বিভিন্ন দিক দিয়ে ড্রেন করছে। আমরা কাজ দেখা শুনা করছি। 

বাজার কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব কাজী মোহাম্মদ শফিকুল বলেন, বাজারের রাস্তা দিয়ে ছেলে মেয়েরা স্কুল কলেজে যায় এবং এলাকার লোকজন সহ  ক্রেতা বিক্রেতারা চলাচল করে। পানি জমলে ব্যাবসায়ী ও বাজারে আসা ক্রেতাদের প্রচুর ভোগান্তি হয়। এই কারণে আমি ব্যাক্তিগত ভাবে টাকা দিয়ে বাজারের ড্রেনগুলো লোক দিয়ে  পরিষ্কার করাচ্ছি এবং বাজারের উত্তর ও দক্ষিণ পাশ দিয়ে ড্রেন কেটে কালভার্ট নির্মাণ করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করিয়ে দিচ্ছি। সরকারি বরাদ্ধ পেলে ভাল ভাবে ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা যাবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ