আলমগীর হোসেন --
ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয়নগর উপজেলার চরইসলামপুর গ্রামের সুরুজ মিয়ার স্ত্রী রাশেদা বেগম (৪০) এলাকার সরল জনসাধারণের প্রায় অর্ধ কোটি টাকা নিয়ে আত্মগোপনের অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী আমেনা বেগম বাদী হয়ে উপজেলান চরইসলামপুর ইউনিয়নের মোঃ আক্তার মিয়ার স্ত্রী মোসাম্মৎ মারুফা বেগম ও তিন সহযোগী মৃত আব্দুল হক এর ছেলে সুরুজ মিয়া (৪৫), মৃত শব্দর ভূঁইয়া এর ছেলে তৈয়ব হোসেন (৬০) ও জাকির হোসেন (৫৫) এর নামে বিজয়নগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগসূত্রে জানা যায়, প্রবাসী সুরুজ মিয়া প্রবাসে থাকা সুবাদে স্ত্রী রাশেদা বেগম অভিযোগ কারিনীর নিকট আত্মীয়তার সুযোগে গত দুই বছর যাবত অভিযোগকারী সহ এলাকার বিভিন্ন মহিলার কাছ থেকে টাকা লেনদেন করে আসছিল ও লেনদেনের লভ্যাংশ সঠিক সময়ে পরিশোধ করে আসছিল। এক পর্যায়ে দীর্ঘদিনের সরল বিশ্বাসে রাশেদার ফাঁদে আটকে পড়েন। আস্তে আস্তে রাশেদা বেগম প্রায় সুদে আসলে ৩০লক্ষ টাকা দেনা হয়ে যান। দেনার অংক এতই প্রখর ধারণ করেছিল এক পর্যায়ে অর্ধ শতাংশ জায়গায় প্রস্তাবিত কুরেঘর ছেড়ে শিশু বাচ্চাকে নিয়ে আত্মগোপনে যেতে বাধ্য হন। এদিকে বাদী আমেনা বেগম টাকার শোকে পাগল প্রায়। স্বামী ও ছেলের সংসারে লেগেছে বিশৃঙ্খলা। আমেনা বেগমের মতোই অন্যান্য মহিলারাও পাওয়ার আশায় রাশেদা বেগমেকে ধারে ধারে খুঁজছেন।
ভূক্তভোগী আমেনা বেগম বলেন, আমি সরল বিশ্বাসে টাকাগুলা দিয়েছিলাম, এখন আমি ছেলে ও স্বামী সংসারে অসহায় অবস্থায় আছি। এই প্রতারণার সহযোগিতায় স্বামীসহ তার আত্মীয়-স্বজন। কেউ যদি এই মহিলার সন্ধান দিতে পারে আমি তাকে পুরস্কৃত করব।
এলাকাবাসীর দাবি, রাশেদা বেগম এত দেনাদার হয়ে গেছে আমরা কেউই জানিনা, হঠাৎ করে রাশেদাকে না পাওয়াতে অনেক মহিলা এসে টাকা পাবে বলে দাবি করেন।
এ বিষয়ে বিজননগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শহিদুল ইসলাম জানান, এত টাকা একজন মহিলা অন্য একজনকে দিয়ে দিচ্ছে এটা বোধগম্য নয়, তবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্যসমূহ