বিজয়নগরে চাঁন মিয়া হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন




ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয়নগর উপজেলায় সাতগাঁও গ্রামে চানমিয়ার হত্যার মিথ্যা  সংবাদের প্রতিবাদে ও হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।

২অক্টোবর (বুধবার)  সাতগাঁও   আমতলী বাজারে  এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। 

উক্ত সংবাদ সম্মেলনে আজম খানের লিখিত বক্তব্যে বলেন, 

গত ১৩ই সেপ্টেম্বর ২০২৪ রোজ শুক্রবার সকাল ৭:৩০ মিনিটে আমি আমার বাড়ি থেকে কৃষি জমিতে যাওয়ার নির্ধারিত রাস্তায় ব্যবহারে বিঘ্ন সৃষ্টি করাকে কেন্দ্র করে, নিম্নে আসামিগণ আমার পিতাকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করে মাথাসহ বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুতর জখন করে। 

জখমী পিতাকে জরুরী ভিত্তিতে বিজয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত  চিকিৎসক অবস্থা গুরুতর দেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে দুইদিন চিকিৎসার পর ধীরে ধীরে রোগীর অবস্থা বেগতিক দেখে চিকিৎসক ঢাকা নিতে পরামর্শ দেন। 

এদিকে রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজন দেখে বিজয়নগর থানায় ১৭ই সেপ্টেম্বর ২০২৪ মঙ্গলবার ১.সাগর মিয়া ২.সালাউদ্দিন ৩.মিজান মিয়া ৪.রেনু মিয়া ৫.জানু মিয়া ৬.ইসমাইল মিয়া ৭.মারুফা বেগম ৮.বিমলা বেগম ৯.আবুখা ১০.আছমা বেগম ১১.লোকমান মিয়া মোট ১১জনের নাম উল্লেখ করে  মামলার দায়ের করা হয়। আসামিরা আমার নিকট আত্মীয়। 

এদিকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকা রেফার করার পর চার দিনের মাথায় ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০২৪ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ৭:৩০ মিনিটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আমার পিতা চান মিয়া মেম্বার মৃত্যুবরণ করেন। 

প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ ও উপস্থিত জনতা আপনাদের প্রতি সবিনয় বিনীত আবেদন,  আসামিরা আমার আত্মীয় হলেও আমর শোকাহত পরিবারের সমবেদনা না জানিয়ে, মামলাকে ভিন্নখাতে পরিচালনা করার জন্য গত ২৮শে সেপ্টেম্বর ২০২৪ শনিবার উপজেলার মির্জাপুর মোড়ে কিছু বহিরাগত মানুষ নিয়ে নাতির হাতে দাদা খুন ব্যানারে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে মানববন্ধন করেন এবং উক্ত  মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে মিথ্যা সংবাদ প্রচারের তীব্র নিন্দা জানাই একই সাথে  হত্যাকাণ্ডে জড়িত খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায়ানে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করিতেছি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ